
স্টাফ রিপোর্টার
***************
মৌলভীবাজার সদরে পির আজাদ ও তার বাহিনী নাম সবাই শুনেছেন,এমন কোন অন্যায় অবৈধ কাজ নেই যা সে করতে পারে না মানুষ খুন করা থেকে শুরু করে চাঁদাবাজি জমি দখল বাড়িঘরে হামলা লুটপাট সবকিছু করে থাকে। এলাকার একটি টিউবওয়েল স্থাপন করতে হলেও তাকে চাঁদা দিতে হয়, গাড়ি আটকে চাঁদা নেয় তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না ২০২০ সালে বুদ্ধিমন্তপুর গ্রামের একটি ছেলে রাজন নামে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে সে !

সংবাদ সম্মেলন কারীর পক্ষে আফসানা বেগম সাং : হিলালপুর মৌলভীবাজার সদর,, তিনি জানান
কয়েক বছর আগে আমার বিয়ে হয় সদরের হিলালপুর এলাকায় পির আজাদের ভাই রুবেল আহমদের নিকট আমার স্বামীর মৃত্যুর পর ভাসুর পীর আজাদ আমাকে কোন প্রকার সহযোগিতা না করে বা আমার ভবিষ্যৎ জীবন কাটানোর কোন সহায়তা না দিয়ে বাড়ি থেকে বিদায় করে দেয় অনিশ্চিত জীবন নিয়ে আমার বাপের বাড়ি সোনাপুর গিয়ে আমি আশ্রয় নেই দুই থেকে তিন বছর পর সামাদ মিয়া আমাকে বিয়ে করে যেহেতু আমার স্বামী জীবিত নেই কাজেই আমার জীবন চলার জন্য আমি যে কাউকে বিয়ে করতে পারি
এ ঘটনায় পিরোজাদ পারভেজ মিয়া কসমিয়া আল আমিন মিলে আমার স্বামী সামাদ মিয়াকে মারধর করে ও তার গাড়ি ভাঙচুর করে সামাদ মিয়ার বড় ভাই আজাদ মিয়া এ ব্যাপারে বিচার প্রার্থী হয়ে এলাকার মুরুব্বিয়ান ব্যক্তিবর্গের নিকট যান কোন বিচার না পেয়ে মৌলভীবাজার সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে অভিযোগ করেন সেনাবাহিনী আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইমরান সাহেব কে বিচারের দায়িত্ব দেন
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইমরান সাহেব বিচারের জন্য এলাকার তারামিয়ার বাড়িতে বসার ব্যবস্থা করেন বিচারের আগে পীর আজাদ তার বাহিনী নিয়ে মারামারির জন্য প্রস্তুত হয়ে আসে বিচার শুরু হওয়ার আগে উত্তেজিত কথাবার্তা শুরু করেন এক পর্যায়ে তার বাহিনী নিয়ে মারামারি শুরু করেন এ সময় অনেক আহত হয়েছেন পরবর্তীতে পারভেজ মিয়া আহত অবস্থায় মারা যান পারভেজ নিহতের ঘটনায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় আমাদের নারী পুরুষের উপর মামলা ও তার বাহিনীর পরিবার বাড়ি ঘর এলাকা ছেড়ে চলে যাই

তখন পীর আজাদ তার বাহিনী নিয়ে দুইটি টমটম গাড়ি দুইটি দোকান ছয়টি গরু ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে ঘরের মালামাল শুনা গয়না নিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্রয় ক্ষতি করে তাদের ধ্বংসলীলা দেখলে যে কোন বিবেকবান মানুষের আতংকে উঠবে পারভেজ হত্যার মামলায় আমাদের যাদের আসামি করেছে তারা অনেকেই জালাল মিয়া জাকির মিয়া রিপন মিয়া ইমরান মিয়া রিয়াদ মিয়া আলম মিয়া বিচারের সময় তারা কেউই উপস্থিত ছিলেন না অথচ তাদের সবার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে
আজ থেকে প্রায় ১১ মাস পূর্বে পুলিশ অস্ত্র সহ মোকাম বাজার জেল গেটের সামনে থেকে দেশীয় অস্ত্র পিঁর আজাদ ও তার বাহিনীর লোককে গ্রেফতার করে প্রায় চার মাস পূর্বে প্রচুর দেশীয় অস্ত্রসহ পীরজাদের মা বোনকে গ্রেফতার করে পুলিশ প্রায় 14 মাস জেল খাটার পর আমরা ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসার পর রাত দুইটায় পীর হাজার তার বাহিনী নিয়ে বাড়িতে হামলা করে পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় হামলা প্রতিহত করি পরে পুলিশ এসে আমাদের রক্ষা করে মা বোন আমাদের হামলা করে প্রতিনিয়ত এলাকায় মহড়া দেয়
তার ভয়ে আমরা সব সময় পরিবার-পরিজন বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে আতঙ্কিত থাকি

পীর আজাদ বাহিনীতে রয়েছে কয়েজ মিয়া আসাদ মিয়া আলামিন রুহেল মিয়া মইনুদ্দিন গুলোই সাগর মিয়া নাঈম মিয়া কাইয়ুম মিয়া মাসুমিয়া রিয়াজ মিয়া সহ আরো অনেক বহিরাগত সন্ত্রাসী
তাদের ভয়ে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি
আমাদেরকে এই সন্ত্রাসী পীর আজাদের হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের পরিবার পরিজনকে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আমরা প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।