সম্পাদকীয়
************
মৌলভীবাজার মামলা ছাড়া মোবাইল ফোনে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে কোর্ট চালান দেওয়ার প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন করেছেন কামরুল হাসান নাইওর নামে এক ব্যক্তি। এব্যাপারে কামরুল হাসান নাইওর বাদী হয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও এস আই বিরোদ্ধে মৌলভীবাজার ১নং আমল গ্রহনকারী আদালতে মামলা করেছেন। মামলা নং-৪০/২৬ ইং।
রবিবার রাত ৯ টায় কায়রান হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিয়োগে জানান, গত ১৩ জানুয়ারী মৌলভীবাজার মডেল থানার এসআই মো: জাকির হোসেন রুবেল রাত ১০ টায় মোবাইল ফোনে থানায় ডেকে ওসির রুমে নিয়ে গেলে ওসি মো: সাইফুল ইসলাম তার শ্বশুরের জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে নাক না গলাতে বলেন। তিনি অপরাগতা প্রকাশ করলে তার সাথে অসৌজন্য মুলক ব্যবহার করে গালে স্বজোরে চড় মারেন। এসময় তার সাথে ছিলেন এলাকার কানু দাশ নামে এক ব্যক্তি। তার শ্বশুর শরিফত উল্লা(৬২) এর সাথে তার চাচাত্ব ভাইর ছেলে মো: খলিল আহমদের সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোদের বিষয় তোলে ধরে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন। আর এসআই মো: জাকির হোসেন রুবেলকে বলেন, যত বৈষম্য বিরোধী মামলা আছে সব গুলোতে তার নামে মামলা দেওয়ার জন্য। এই ভাবে তাকে হেনস্থা করে থানা লকাপে ঢোকানো হয়। তিনি পুলিশকে বলেন, তার একটি ৬ বছরের শিশু বাড়িতে খুব অসুস্থ । তার জন্য ঔষধ নিয়ে যেতে হবে। নতুবা বাচ্চার সমস্যা হবে। রাত ১২ টার পর ১৪ জানুয়ারী শ্বশুরের চাচাত্ব ভাইয়ের ছেলে খলিল মিয়াকে থানায় ডেকে এনে দিয়ে ৩১ ডিসেম্বর ও ৬ জানুয়ারীর তার শ্বশুরের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সাথে ঝগড়া দেখিয়ে ঐ সময় লিখিত অভিযোগ তৈরী করে আদালতে চালান দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন অভিযোগের ভিক্তিতে ১৪ জানুয়ারী রাত অনুমান ১২.৫৫ অভিযান পরিচালনা করে মৌলভীবাজার ইসলামবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতচ তিনি যখন থানায় প্রবেশ করেন তখন রাত ১০.০৭ মিনিট। যার সিসি টিভি ফ্রুটেজ ও মোবাইর ফ্রুটেজ রয়েছে। মোবাইলে আছে। ঐদিন আদলত জামিন ঐদিন মঞ্জুর করেন।