জাহাঙ্গীর হোসেন
****************
২০২৬ সালে সারা দেশের ন্যায়
মৌলভীবাজার জেলায় চলছে বিভিন্ন ইটভাটার উপর পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিষয়ে বাধা ও অভিযান। বিগত ২৪/২৫ সালে মৌলভীবাজার জেলায় একাধিক ইটভাটার ছাড়পত্র বাতিল এবং বন্ধ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার। কোন কোন জায়গায় ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অবৈধ চিমনী।
তথ্য সূত্রে জানা যায়...
কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো; ভূমি কেটে ইটের কাঁচামাল সংগ্রহ, স্কুল কলেজ বা মাদরাসার থেকে সঠিক দুরত্ব বজায় না রাখা, পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষিত না থাকা এমন নানা কারণে ছাড়পত্র বাতিল, জরিমানা ও বন্ধ সহ নানা পদক্ষেপ নেয় পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার।
তথ্য সংগ্রহের প্রাককালে দেখা যায়, কিছু সংখ্যক ইটভাটার না আছে ছাড়পত্র আর না আছে নবায়নকৃত লাইসেন্স। এমন কি বাতিল ঘোষণা করার পরও চলছে তাদের রীতিমত কার্যকর্ম।উৎপাদন করছে অনায়াসে নতুন কাচামাল।
******************
বি:দ্র:
*******
ছাড়পত্র,কাচামাল সংগ্রহ , নবায়নকৃত লাইসেন্স আছে কি না এই সব ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে বা জানতে চাইলে কুলাউড়ার ঢুলিপাড়া এলাকার সুরমা ব্রিকস এর স্বত্বাধিকারী
কুলাউড়ার বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ফয়জুল ইসলাম ও তার ম্যানেজার সাংবাদিক এর কাজে বাধা ও হুমকি সহ খারাপ আচরণ করে
পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী বানানোর অপচেষ্টা করে!!!!!
*******************************
মৌলভীবাজারে ইটের ভাটা গুলোর তথ্য সংগ্রহ করে আমরা জানতে পারি
অধিকাংশ ইটভাটাগুলো ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করে বসে আছে। কিন্তু কেউই ছাড়পত্র পাচ্ছেন না। এখানে সময় সীমা কারো ৬মাস, কারো ৮মাস, কারো ৯মাস পর্যন্ত অপেক্ষারত। তাদের বেশিরভাগেরই বক্তব্যে আসে যে, যদি আমাদের ছাড়পত্র না ই দেবে,
তবে আমাদের ভ্যাট ট্যাক্স কেন নিচ্ছে সরকার।
আমাদের এই রকম হেনস্তা করার উদ্দেশ্যটা কি?
তথ্য সংগ্রহকালে জানা যায়, কিছু কিছু ইটভাটা যখন স্থাপিত হয়, তখন আশেপাশে স্কুল বা মাদরাসা ছিল না।পরবর্তীতে হওয়ায় বর্তমানে ভুক্তভোগী তারা।
এই পর্যন্ত যেসব ইটভাটার ছাড়পত্র বাতিল এবং বন্ধ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর, তার কিছু সংখ্যক হাইকোর্টের রিট আবেদনের মাধ্যমে চালাচ্ছে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম।
একদিকে যেমন উঠেপড়ে লেগেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন অবৈধ ইটভাটাগুলো বন্ধ করতে, ঠিক অপর দিকে চিন্তিত শত শত শ্রমিক তাদের আয়ের উৎস নিয়ে, এইসব ইটভাটা যদি বন্ধ হয় তবে পরিবার নিয়ে হিমসিম খাবেন বলে জানান কিছু সংখ্যক শ্রমিক।
সংবাদটি শেয়ার করুন