1. admin@sangbadbangla247.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমঙ্গলে গরু চুরি, পুলিশের ওপর হামলা ও টিলা কেটে মাটি পাচার জসিমকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত ভিত্তিহীন এবং অসত্য সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ জানালেন, মৌলভীবাজার জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল। মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেট বিভাগের সাংবাদিকের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের তত্ত্বাবধানে প্রায় চব্বিশ কোটি টাকার আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারতলা ভবন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি জেলা শাখা গঠন;চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো.সেলিম মৌলভীবাজারে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন,ঘাতক ভাই গ্রেফতার দানিয়াল ওপেন স্কাউট গ্রুপ এর পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পন গ্রামীণফোন ও মাস্টারকার্ডের পার্টনারশিপ মৌলভীবাজার মামলা ছাড়া মোবাইল ফোনে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে:ওসি সাইফুল ও এসআই রুবেল বিরোদ্ধে। টাকার খুজেঁ বিদেশে গিয়েও স্বস্তির দিন কাটাতে পারেননি নুরুন্নাহার, দালালদের বেখেয়ালিতে ফিরলেন দেশে!

মৌলভীবাজারে এনজিওর নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা তোফাজ্জলের !

রিপোর্টার নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর হোসেন
*******************

আওয়ামী সরকারের আমলে গড়ে উঠা
SM social welfare foundation নামক একটি প্রতিষ্ঠান, যা সাধারণ মানুষকে ক্ষুদ্র ঋণ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক, জনাব তোফাজ্জল হোসেন, যে নিজেও একজন এনজিও কর্মী ছিল। দীর্ঘদিন বিভিন্ন এনজিওতে কাজ করে এবং তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও করে শ্রীমঙ্গলের একটি প্রতিষ্ঠান। মৌলভীবাজারে তার আধিপত্ব ও মাস্টার প্লান বিস্তার করতে সে আওয়ামী সরকারের কিছু দুষ্ট নেতা কর্মীর সহায়তা বলে
SM social welfare foundation এনজিও টি প্রতিষ্ঠিত করে এবং দুঃখজনক হলেও সত্য যে কয়েক মাসের ভেতর আওয়ামী সরকারের পতন হয়। এরি মধ্যে সে শত শত মানুষের একটি বিশাল সঞ্চয় কালেকশন করে ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে ।
কিন্তু সে কোন ঋণ তাদের দেয়নি, আওয়ামী সরকারের পতনের পর প্রায় ৩-৪ মাস পর সকল ভোক্তভোগী হানা দেয় তার অফিসে এবং বড় ধরণের হট্টগোল এর সৃষ্টি হয় ।

এমতাবস্থায় মৌলভীবাজার মডেল থানা সেখানে পৌঁছালে মডেল থানার এসআই পার্থ এর উপস্থিতিতে সে একটা সময় দেয়, এর কিছু টাকা বাধ্য হয়ে পরিশোধ করে, কিন্তু এর পরেও সে অনবরত সাধারণ গরীব মানুষ গুলোর সঞ্জয় সংগ্রহ করতে থাকে; উল্লেখ্য, কারো-৩৭ হাজার টাকা, কারো ১ লাখ, কারো ৫০ হাজার ৪, ৭, ১৫ এবং ১ লক্ষ ৩০ হাজার পর্যন্ত প্রায় ২ শতাধিক এর উপরে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়, সে হাতিয়ে নেয় এই লোনের প্রলোভনে কাউকে ২ লাখ টাকা, কাউকে ৬ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকার চেকও প্রদান করে ২০ থেকে ৩ জন মানুষকে এর এই সূত্র ধরে বিগত কয়েকটি কমিটমেন্ট ভাঙ্গার পর গতকাল ০৪/০৩/২০২৫ ইং শত শত মানুষ তার অফিসে ভিড় করে এবং প্রত্যেকে তাকে মারধর করার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়,। সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত মানুষের চিল্লা চিৎকারে মসগুল ছিল পুরো মার্কেট, অতিষ্ঠ হয়ে উক্ত মার্কেটে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এসে একটু নিরব থাকতে অনুরোধ জানান, উপস্থিত ভোক্তভোগীদের।
SM social welfare foundation এর হপ্রতিষ্ঠাতা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন নিজেকে মাঠ পর্যায়ে পরিচিত না করে, তিনি তার কর্মীদেরকে দিয়ে সঞ্চয় উত্তোলন করায়, মাঠ পর্যায়ে থাকা কর্মীরা ঘরে যেতে পারছে না ,
ভোক্তভোগীদের ভয়ে। এর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত রুবেল মিয়া সাংবাদিকদের কাছে টেলিফোনে সাহায্য চান। এবং বলেন আমি কিভাবে মানুষের টাকা দিব। আমরা শুধু এমডির কথামতো মাঠে কাজ করেছি। দয়া করে আপনাদের সহায়তায় করে মানুষের সঞ্চয়গুলো দিয়ে আমাদের বাঁচান। মৌলভীবাজার প্রশাসনের সম্মুখে ঘটেছে এমন কাহিনী, যার কোন আইনগত ব্যবস্থা এখনও নেয়া হচ্ছে না। কেন এই প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে গরীব ও অসহায় মানুষের টাকা আদায়ের সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না প্রশাসন দাবি ভোক্তভোগীদের। উল্লেখ্য যেখানে প্রশাসন এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অবগত তাই অতিসত্বর উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তার লাইসেন্স বাতিল করে ভোক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেয়ার জোর দাবি জানান ভোক্তাগন। ভূক্তভেগীদের কাছ থেকে জানা যায় গত ০৪/০৩/২০২৫ এর পর থেকে সময়ের উপর সময় নিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন কিন্তু কোন সমাধানের নাম গন্ধ পর্যন্ত নেই, কিছু সংখ্যক নিরপেক্ষ মানুষ সমাধান দিতে চাইলেও মূল্যয়ন করেনি তাদেরও, এমন কি বর্তমানে সে তার অফিসকেও বন্ধ করে রেখেছে যাতে কেউ খোঁজে না পায় এবং তাকে বিরক্ত না করতে পারে। অধিকাংশ মানুষ অসহায় অবস্থায় সাংবাদিকদের কাছে সহায়তা চান এবং প্রশাসন কে সুব্যবস্থা গ্ৰহন করে তাদের টাকা গুলো উদ্ধার করে সহা
দেয়ায় আকুল আবেদন ও মিনতি জানান,
তারা এও জানান যে আমরা ভয়ে আছি যে আমাদের এতগুলো টাকা আত্মসাৎ করে সে পলাতক হতে পারে।
ভুক্তভোগীদের কাছে তাদের জমা করা টাকার পরিমাণ জানতে চাইলে তারা জানান সব মিলিয়ে, ২৫ লক্ষ টাকার মত সঞ্চয় সে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গ্ৰহন করে।
এই বিষয়ে তার বক্তব্য নিতে গেলে সে বলে, আমার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে কিছু কারনে আটকা পড়ে আছে, আমি টাকা পেলে দিয়ে দিব অথচ যা পুরোটা বানোয়াট,
বিপদে পড়া সাধারণ মানুষের একটাই দাবি তাকে আইনের আওতায় এনে, তাদের টাকা উদ্ধার করে দেয়া হউক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পডুন
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting