1. admin@sangbadbangla247.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমঙ্গলে গরু চুরি, পুলিশের ওপর হামলা ও টিলা কেটে মাটি পাচার জসিমকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত ভিত্তিহীন এবং অসত্য সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ জানালেন, মৌলভীবাজার জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল। মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেট বিভাগের সাংবাদিকের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের তত্ত্বাবধানে প্রায় চব্বিশ কোটি টাকার আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারতলা ভবন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি জেলা শাখা গঠন;চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো.সেলিম মৌলভীবাজারে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন,ঘাতক ভাই গ্রেফতার দানিয়াল ওপেন স্কাউট গ্রুপ এর পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পন গ্রামীণফোন ও মাস্টারকার্ডের পার্টনারশিপ মৌলভীবাজার মামলা ছাড়া মোবাইল ফোনে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে:ওসি সাইফুল ও এসআই রুবেল বিরোদ্ধে। টাকার খুজেঁ বিদেশে গিয়েও স্বস্তির দিন কাটাতে পারেননি নুরুন্নাহার, দালালদের বেখেয়ালিতে ফিরলেন দেশে!

মির্তিংগা চা বাগান ইউনিটের সদস্যদের বকেয়া পাওনাদি আদায়ের দাবিতে স্মারক লিপি প্রদান

রিপোর্টার নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ মে, ২০২৪
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

জোবায়ের আহমদ, জেলা প্রতিনিধি
………………………

বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে মির্তিংগা চা বাগান ইউনিটের সদস্যদের ২০১৮ ইং হইতে বেতন সহ যাবতীয় বকেয়া পাওনাদি আদায়ের দাবিতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার ১২ মে সকাল ১১টায় স্মারক লিপি প্রদানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ জাকারিয়া আহমদ, সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ কাওছার মিয়া, সহ সভাপতি জ্যোতি ভট্টাচার্য, সাংগঠনিক সম্পাদক বঙ্গেশ রঞ্জন দেব,কোষাধ্যক্ষ সুরঞ্জিত দাস,প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া সোহেল,সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাসেল,বালিশিরা উত্তরাঞ্চলের সভাপতি নির্মহন সিংহ, সম্পাদক কামাল হোসেন ও মির্তিংগা চা বাগানের সভাপতি সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এসময় সংগঠনের সভাপতি বলেন,দীর্ঘদিন যাবত এই মির্তিংগা চা বাগান কর্তৃপক্ষ পাওনাদি পরিশোধ করছে না।আমরা বারবার কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছি, স্হানীয় পর্যায়ে ইউনিট পর্যায়ে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আমরা বলেছি উনারা কোন কর্নপাত করছেন না।পরবর্তীতে আমরা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর শ্রীমঙ্গলের মাধ্যমে আমাদের সাথে চুক্তি করে পাওবা পরিশোধ মর্মে চুক্তি করেও বারবার চুক্তি ভায়োলেশন করছেন,বারবার আমাদের চুক্তি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা কয়েক দিন আগে শ্রম আইনের আলোকে আমরা দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করে অবস্থান ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সভা করেছি।ধারাবাহিক ভাবে আমরা মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেছি।আমরা আশাবাদী আমাদের মির্তিংগা চা বাগানের সমস্যা সমাধান হবে। তিনি আরও বলেন আমাদের পাওনা দিতে হবে আমরা বিশৃঙ্খলা চাইনা,অতি শীঘ্রই যদি আমাদের পাওনা আদায় না হয় আমরা কঠোর আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবেনা।

নিম্নে স্মারক লিপি হুবহু তুলে ধরা হলো-Document 170

যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত প্রার্থনা এই যে, বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন (রেজিঃনং- বি-২৫১) চা শিল্পের একটি অতি পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী ট্রেড ইউনিয়ন যা সমস্ত বাংলাদেশে কর্মরত চা কর্মচারী ও ড্রাইভারবৃন্দদের বেতন, বোনাস ও ভাতাদিসহ বিভিন্ন আইনি তথা ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা এবং অধিকার আদায় ও
সংরক্ষণের পক্ষে কাজ করে থাকে। উক্ত সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারিগণ আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, দেউন্দি টি কোম্পানী লিমিটেড একটি সুনামধন্য চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে মোট ০৪টি চা বাগানে উক্ত দেউন্দি টি কোম্পানী লিমিটেড ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তন্মধ্যে মির্তিংগা চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। উক্ত দেউন্দি টি কোম্পানী লিমিটেড-এ কর্মরত কর্মচারী যার
সংখ্যা ২৬ জন অত্র সংগঠনের সদস্য।

অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো উক্ত কোম্পানীর বিভিন্ন চা বাগান বিশেষ করে আপনার প্রশাসনাধীন মির্তিংগা চা বাগানে কর্মরত কর্মচারী, এমনকি চাকুরী হতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের গ্র্যাচুয়িটিসহ বেতন, ভাতা ও অন্যান্য ন্যায্য পাওনাদি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যথা সময়ে পরিশোধ করা হচ্ছে না। এই সকল ন্যায্য পাওনাদি পরিশোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন টালবাহানা করে কালক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রম আইন তথা প্রচলিত নিয়ম ভঙ্গ করা এই
কোম্পানীর অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে, যা বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকারের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী।
উক্ত কোম্পানীর নিকট আমাদের মির্তিংগা চা বাগানের কর্মচারীদের বকেয়া পাওনাদির একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব মহোদয়ের জ্ঞাতার্থে নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ
১) মাসিক বেতন
: অক্টোবর ২০২৩ থেকে অদ্যাবধি অপরিশোধিত
২) প্রফিট/ গ্র্যান্টেড বোনাস : ২০১৮ সাল থেকে অদ্যাবধি অপরিশোধিত
৩) উৎসব ভাতা
৪) লীভ এলাউন্স
৫) বকেয়া মজুরী
৬) ওভার টাইম ভাতা
৭) গ্র্যাচুয়িটি
: ২০২৩ সাল থেকে অদ্যাবধি অপরিশোধিত
: ২০২৩ সাল থেকে অদ্যাবধি অপরিশোধিত।
: ২০২২-২০২৩ সালের চুক্তিনামার তৃতীয় কিস্তি অপরিশোধিত।
: ২০২১ সাল থেকে অদ্যাবধি অপরিশোধিত।
: ২০১৭ সাল থেকে অবসরপ্রাপ্ত ০২ জন সদস্যের গ্র্যাচুয়িটি অদ্যাবধি অপরিশোধিত
উপরোক্ত বকেয়া পরিশোধের তাগিদ দিয়ে অত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে উল্লেখিত কোম্পানীর কর্তৃপক্ষ বরাবর বারংবার পত্র প্রেরণ করা হয়েছে (প্রেরিত পত্রের কপি সংযুক্ত)। কিন্তু আমাদের প্রেরিত পত্রের বিপরীতে বাগান ব্যবস্থাপনা কর্তৃক কোনরূপ ফলপ্রসূ উদ্যোগ গ্রহণ না করায় পরবর্তীতে আমরা মাননীয় উপ পরিচালক, বিভাগীয় শ্ৰম দপ্তর মহোদয়ের শরণাপন্ন হই। অত:পর উপ পরিচালক, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর মহোদয়ের উদ্যোগে শ্রম দপ্তর কার্যালয়ে
একাধিকবার ত্রি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কিন্তু অতীব পরিতাপের বিষয় মাননীয় উপ পরিচালক, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর মহোদয়ের মধ্যস্থতায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহনবাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতোই উদাসীনতা প্রকাশ করেন, যা রাষ্ট্রের সম্মানিত পর্যায়ে আসীন একজন মর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তা তথা রাষ্ট্রের শ্রম আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শনের সামীল বলে আমরা মনেবকরি। (উপরোক্ত ত্রি-পাক্ষিক বৈঠকের রেজুলেশন কপি সংযুক্ত)।

দীর্ঘ সময় বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক পাওনাদি না পেয়ে উক্ত মির্তিংগা চা বাগানের কর্মচারীরা অত্যন্ত
মানবেতর জীবনযাপন করছেন, মূলত চা বাগানে কর্মরত আমরা চা কর্মচারীরা চা বাগানের প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যস্থানে অবস্থিত বিধায় কর্মক্ষেত্রে আমরা খুবই অসহায়। এমতাবস্থায় আমরা উপায়ন্তর হারিয়ে আপনার শরণাপন্ন হলাম।

উপরোক্ত বর্ণিত বিষয়ের আলোকে আপনার নিকট আমাদের আকুল প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত মির্তিংগা চা বাগানে কর্মরত অত্র সংগঠনের সদস্যদের যাবতীয় ন্যায্য বকেয়া পাওনাদি আদায় এর ব্যাপারে আপনি আন্তরিকতার সহিত চা শিল্পে কর্মরত আমরা শ্রমজীবি কর্মচারীদের পক্ষে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাকরি।
পরিশেষে, বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকারের একজন সুযোগ্য মাননীয় জেলা প্রশাসকের কার্যকরি পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিন্তে কোনো প্রকার শঙ্কা ছাড়া শ্রমের বিনিময়ে নিজেদের ন্যায্য প্রাপ্য সহ শ্রম-অধিকার রক্ষার মাধ্যমে পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে দিনাতিপাত করতে পারবো বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ।
ধন্যবাদান্তে,
আপনার বিশ্বস্ত,
(মো: জাকারিয়া আহমদ)
সভাপতি, বিটিইএসএ।
অনুলিপি
মোবাইল: ০১৭১১-২৩৩২৭০
(মো: আমিনুর রহমান)
সাধারণ সম্পাদক, বিটিইএসএ।
মোবাইল: ০১৭১১-২৩৩২৬৮
১। বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো: আব্দুস শহীদ, এম.পি
ও মাননীয় মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২। মাননীয় চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ, মৌলভীবাজার
৩। মাননীয় পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার।
৪। মাননীয় চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কমলগঞ্জ
৫। মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ
৬। মাননীয় উপ পরিচালক, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
৭। মাননীয় উপ মহাপরিদর্শক, কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রীমঙ্গল।
৮। মাননীয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ থানা।
প্রশাসকের
কার্যালয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পডুন
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting