1. admin@sangbadbangla247.com : admin :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমঙ্গলে গরু চুরি, পুলিশের ওপর হামলা ও টিলা কেটে মাটি পাচার জসিমকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত ভিত্তিহীন এবং অসত্য সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ জানালেন, মৌলভীবাজার জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল। মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট সিলেট বিভাগের সাংবাদিকের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্টিত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের তত্ত্বাবধানে প্রায় চব্বিশ কোটি টাকার আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারতলা ভবন নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি জেলা শাখা গঠন;চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো.সেলিম মৌলভীবাজারে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন,ঘাতক ভাই গ্রেফতার দানিয়াল ওপেন স্কাউট গ্রুপ এর পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পন গ্রামীণফোন ও মাস্টারকার্ডের পার্টনারশিপ মৌলভীবাজার মামলা ছাড়া মোবাইল ফোনে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে:ওসি সাইফুল ও এসআই রুবেল বিরোদ্ধে। টাকার খুজেঁ বিদেশে গিয়েও স্বস্তির দিন কাটাতে পারেননি নুরুন্নাহার, দালালদের বেখেয়ালিতে ফিরলেন দেশে!

মৌলভীবাজারে ইটভাটার মালিকরা পড়েছেন বিপাকে; বিরাজ করছে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি

রিপোর্টার নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর হোসেন:
****************

সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় চলছে বিভিন্ন ইটভাটার উপর পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান। মৌলভীবাজার জেলায় একাধিক ইটভাটার ছাড়পত্র বাতিল এবং বন্ধ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার। কোন কোন জায়গায় ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে অবৈধ চিমনী।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো; ভূমি কেটে ইটের কাঁচামাল সংগ্রহ, স্কুল কলেজ বা মাদরাসার থেকে সঠিক দুরত্ব বজায় না রাখায় এই রকম আরো নানা কারণে ছাড়পত্র বাতিল, জরিমানা ও বন্ধ সহ নানা পদক্ষেপ নেয় পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার।

তথ্য সংগ্রহের প্রাককালে দেখা যায়, কিছু সংখ্যক ইটভাটার না আছে ছাড়পত্র আর না আছে নবায়নকৃত লাইসেন্স। এমন কি বাতিল ঘোষণা করার পরও চলছে তাদের রীতিমত কার্যকর্ম।উৎপাদন করছে অনায়াসে নতুন মাল।

ছাড়পত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায়, অধিকাংশ ইটভাটাগুলো ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করে বসে আছে। কিন্তু কেউই ছাড়পত্র পাচ্ছেন না। এখানে সময় সীমা কারো ৩মাস, কারো ৪মাস, কারো ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষারত। তাদের বেশিরভাগেরই বক্তব্যে আসে যে, যদি আমাদের ছাড়পত্র না ই দেবে, তবে আমাদের ভ্যাট ট্যাক্স কেন নিচ্ছে সরকার। আমাদের এই রকম হেনস্তা করার উদ্দেশ্যটা কি?

তথ্য সংগ্রহকালে জানা যায়, কিছু কিছু ইটভাটা যখন স্থাপিত হয়, তখন আশেপাশে স্কুল বা মাদরাসা ছিল না।পরবর্তীতে হওয়ায় বর্তমানে ভুক্তভোগী তারা।

এই পর্যন্ত যেসব ইটভাটার ছাড়পত্র বাতিল এবং বন্ধ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর, তার কিছু সংখ্যক হাইকোর্টের রিট আবেদনের মাধ্যমে চালাচ্ছে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম।

একদিকে যেমন উঠেপড়ে লেগেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন অবৈধ ইটভাটাগুলো বন্ধ করতে, ঠিক অপর দিকে চিন্তিত শত শত শ্রমিক তাদের আয়ের উৎস নিয়ে, এইসব ইটভাটা যদি বন্ধ হয় তবে পরিবার নিয়ে হিমসিম খাবেন বলে জানান কিছু সংখ্যক শ্রমিক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পডুন
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting