1. admin@sangbadbangla247.com : admin :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হ/ত্যা ও শিশু ধ/র্ষ/ণ জাতি আজ শঙ্কিত? করনীয় এবং সামাজিক অবক্ষয় তার মূল কারণ নিয়ে ক্ষুদ্র আলোচনা ক্যান্সার গবেষক অধ্যক্ষ ডাঃ এস. এম. সরওয়ার কে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে হেনস্থা করার অপচেষ্টা ! ক্ষোভ থেকে বাবা-মাকে হত্যার পর নিজ ঘরেই ছিলেন রিমন দৈনিক ‘স্বাধীনতার চেতনা’র ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপিত মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত এলাকা ও আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাবেন স্পন্দন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ইউনিট কমিটি অনুমোদন মৌলভীবাজারে নতুন পরিবেশ বান্ধব গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আমাদের সকল দপ্তর নিজ নিজ প্রচেষ্টায় শহর পরিষ্কারে ব্যস্ত , কায়সার হামিদ নির্বাহী সড়ক বিভাগ মৌলভীবাজারে তাহেরুন্নেছা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলকে জেলা প্রচার দলের ফুলেল শুভেচ্ছা ​

হ/ত্যা ও শিশু ধ/র্ষ/ণ জাতি আজ শঙ্কিত? করনীয় এবং সামাজিক অবক্ষয় তার মূল কারণ নিয়ে ক্ষুদ্র আলোচনা

রিপোর্টার নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

মতিন বকশ :
*****************
বাংলাদেশ আজ এক গভীর সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললেই, মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ রাখলেই ভেসে আসে এক একটি নৃশংসতার খবর। কোথাও ৫ বছরের শিশু, কোথাও ৮ বছরের কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে হত্যার শিকার হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয়, এটি এখন একটি জাতীয় উদ্বেগ, একটি জাতীয় লজ্জা।

কেন এই ভয়াবহতা বাড়ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনটি বিষয় সামনে চলে আসে, যা আপনিও উল্লেখ করেছেন।

১. বিচারহীনতার সংস্কৃতি :
***********************

সবচেয়ে বড় কারণ হলো বিচারহীনতা। একটি ধর্ষণ বা শিশু হত্যার পর মামলা হয়, কিন্তু বিচার শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যায়। সাক্ষীকে হুমকি দেওয়া হয়, আলামত নষ্ট করা হয়, প্রভাবশালীদের চাপে মামলা দুর্বল হয়ে যায়। অপরাধী যখন দেখে যে অপরাধ করে পার পাওয়া যায়, তখন তার সাহস বেড়ে যায়। আরেকজন অপরাধীও উৎসাহিত হয়। যখন বিচার দৃশ্যমান হয় না, তখন আইনের প্রতি মানুষের ভয় থাকে না।

২. নৈতিক স্খলন ও মূল্যবোধের অবক্ষয় :
*******************************************

আমরা প্রযুক্তিতে এগিয়েছি, কিন্তু নৈতিকতায় পিছিয়েছি। পরিবার থেকে নৈতিক শিক্ষা উঠে যাচ্ছে। বিকৃত রুচির কন্টেন্ট, মাদকের সহজলভ্যতা, পর্নোগ্রাফির অবাধ বিস্তার এবং সামাজিক অবক্ষয় মানুষের মনুষ্যত্বকে নষ্ট করে দিচ্ছে। যে সমাজে একটি শিশুকে দেখে স্নেহ জাগার কথা, সেখানে লালসা জাগছে — এর চেয়ে বড় নৈতিক পতন আর কী হতে পারে? আমরা সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত, প্রতিবেশীর কান্না আর আমাদের স্পর্শ করে না।

৩. রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতা :
****************************************

প্রতিটি ঘটনার পর আমরা তীব্র নিন্দা, তদন্ত কমিটি আর আশ্বাসের বুলি শুনি। কিন্তু কয়েকদিন পর সব ঠান্ডা হয়ে যায়। ভিকটিমের পরিবার একা হয়ে যায়। পুলিশের গাফিলতি, মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে টালবাহানা, এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। রাষ্ট্র যখন তার সবচেয়ে দুর্বল নাগরিক — একটি শিশুকে — নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তখন রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ে।
আমাদের কী করা উচিত? শুধু দুঃখ প্রকাশ করে আর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এই সংকটের সমাধান হবে না। এখন প্রয়োজন কঠিন এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

১. কঠিন ও দ্রুত বিচার দৃশ্যমান করতে হবে :
********************************************
নতুনভাষা শিখুন

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মামলার জন্য আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ৯০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করতে হবে। বিচার শুধু কাগজে হলে হবে না, তা জনগণের সামনে দৃশ্যমান হতে হবে। প্রকাশ্য রায় কার্যকর এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একজন অপরাধীর শাস্তি দেখে হাজারো সম্ভাব্য অপরাধী আতঙ্কিত হয়।

২. জিরো টলারেন্স নীতি :
*************************

এই ধরনের মামলায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব যেন কাজ না করে, তা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধী যেই হোক, তার একমাত্র পরিচয় হবে সে অপরাধী।

৩. সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে :
***************************************

প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়, স্কুলে, মসজিদ-মন্দিরে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিশুদেরকে গুড টাচ, ব্যাড টাচ সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। পরিবারকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পডুন
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting